বুধবার, সেপ্টেম্বর 23, 2020
Home ফুটবল শালবনিতে চলছে সুনীলদের আকাদেমি

শালবনিতে চলছে সুনীলদের আকাদেমি

পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি। যেখানে জেএসডব্লিউ তৈরি করেছিল নিজেদের সিমেন্টের কারখানা। সেখানেই গত ৬মাস ধরে নিঃশব্দে চলছে জেএসডব্লিউ-এর ফুটবল অ্যাকাডেমি। ডেএসডব্লিউ মাদার কোম্পানি। বলা উচিত বেঙ্গালুরু এফসি-র অ্যাকাডেমি। সুকুল সোরেন, রমেন মাহাতা, প্রশান্ত হেমব্রম, জয়দেব মুর্মু-এরা প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলে। শালবনির অ্যাকাডেমি থেকে এদের বাড়ির গড় দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। অ্যাকাডেমির বাস এদের একটা নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সকলকে তুলে নিয়ে আসে। আপাতত অ্যাকাডেমি অনাবাসিক। কিন্তু সম্প্রতি জিন্দাল গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার পার্থ জিন্দাল ছাত্রদের আশ্বাস দিয়ে গিয়েছেন যে খুব তাড়াতাড়িই অ্যাকাডেমিকে আবাসিক করে দেওয়া হবে।

বেঙ্গালুরু এফসি-র কোচেরা এসে অ্যাকাডেমির জন্য অনূর্ধ্ব ১৩ ও অনূর্ধ্ব ১৫ বছর বয়সী ৩৮জন খুদে ফুটবলার বেছে গিয়েছিলেন। অ্যাকাডেমি আবাসিক হলে ছাত্রদের সংখ্যা ৬০ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। বেঙ্গালুরু এফসি-র ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের দায়িত্বে থাকা কোচেদের দিয়ে যাওয়া নির্দেশিকা মেনেই অ্যাকাডেমির ছাত্রদের কোচিং করাচ্ছেন সুভাষ সিংহ রায়। সুভাষ দীর্ঘদিন ছিলেন টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমিতে। তারপর কাজ করেছেন রাজ্য সরকারের ফুটবল অ্যাকাডেমিতে। সেই কারণেই বেঙ্গালুরু এফসি-র কর্তারা সুভাষকে বেছেছেন। একইসঙ্গে বেঙ্গালুরু এফসি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যাকাডেমির পরিকাঠামোয় আরও উন্নতি করার ভাবনা কর্তাদের। গালিচার মতো সবুজ মাঠ তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক মানের ড্রেসিংরুমও তৈরি করা হয়েছে। কর্তারা ভাবছেন অত্যাধুনিক জিমন্যাসিয়াম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান অ্যাকাডেমিতে তৈরি করতে।

কিন্তু উল্লেখযোগ্য ঘটনা, গত ৬ মাসের ট্রেনিয়েই ছাত্রদের মধ্যে অনেকেই জেলার স্কুল লিগে খেলার সুযোগও পেয়ে গিয়েছে। আরও একটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা আছে। সুকুল সোরেনদের চোখে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন নয়! ওরা বড় হয়ে বেঙ্গালুরু এফসি-র জার্সি পরতে চায়!