রবিবার, নভেম্বর 29, 2020
Home ফুটবল অধিনায়ক বদলে গিয়ে লাল-হলুদে নতুন নেতা হলেন ব্রেন্ডন

অধিনায়ক বদলে গিয়ে লাল-হলুদে নতুন নেতা হলেন ব্রেন্ডন

শোচনীয় ব্যর্থতা। পরপর দু’ম্যাচে হার। কোচ মারিও রিভেরা এবং সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছিল শনিবার। তারপর রবিবার দুপুরে কাশিম আইদারা, মার্কোস এসপাদাদের সঙ্গে বৈঠক সারলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। হাজির ছিলেন সভাপতি প্রণব দাশগুপ্ত, সচিব কল্যাণ মজুমদার, শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার, ফুটবল সচিব রজত গুহ। বৈঠকে ফুটবলাররা পরের ম্যাচ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন।

সভাপতি প্রণব ফুটবলারদের বলেছেন, ইস্টবেঙ্গলের ঐতিহ্য রয়েছে। লাল–হলুদ জার্সির সম্মানের কথা মাথায় রেখে মাঠে নামতে হবে। শতবর্ষের বছরে ইস্টবেঙ্গলে অবনমনের আতঙ্ক। কর্তারা ব্যাপারটা মানতে পারছেন না। মাঠে ফুটবলারদের সেই জোশটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই কথাটা বৈঠকে ফুটবলারদের বলেন ক্লাবকর্তারা। কোচ মারিও রিভেরার সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন দেবব্রতরা। শনিবার কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে কোচ মারিও রিভেরা আপশোস করেছিলেন, দলে প্রকৃত নেতার অভাব।

বৈঠক শেষে মারিও বলেন, ‘আমাদের গোটা দলটাই হল ক্যাপ্টেন। একজন ক্যাপ্টেনের থেকেও শক্তিশালী।’’ কোচ–কর্তারা মিলে ঠিক করেছেন, পরের ম্যাচ থেকে ব্রেন্ডন অধিনায়ক হবেন। চলতি মরশুমে এই নিয়ে ইস্টবেঙ্গলে তিন নম্বর অধিনায়ক হলেন ব্রেন্ডন। এর আগে ছিলেন লালরিনডিকা রালতে, কাশিম আইদারা। মরশুমের শুরুতে বারপুজোয় বসেছিলেন ব্রেন্ডন। কিন্তু তিনি কোয়েস জমানায় অধিনায়কত্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। রবিবার ব্রেন্ডনের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করতে দেখা যায় দেবব্রতকে। ইস্টবেঙ্গল সচিব বলেন, ‘‘দলগঠনেই ত্রুটি ছিল। আমাদের হাতে কোনও ফুটবলারকে রিক্রুট করার ক্ষমতা ছিল না।’ ইস্টবেঙ্গলের লিগ জেতার আশা দেখছেন কল্যাণ। বলেন, ‘এমন কোনও পরিস্থিতি নেই, যার কোনও বিকল্প হয় না। এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। প্রত্যাশার কোনও সীমা হয় না। আশা করি, ৩৫–৪০ পয়েন্টে শেষ করতে পারব আমরা।’’