বুধবার, সেপ্টেম্বর 23, 2020
Home ফুটবল ডার্বির সেরা হয়েও তৃপ্ত নন দুুরন্ত বেইতিয়া

ডার্বির সেরা হয়েও তৃপ্ত নন দুুরন্ত বেইতিয়া

ডার্বিতে প্রথম গোল করে বেইতিয়াও উচ্ছ্বাসে ফুটছিলেন। বললেন, ‘‘ডার্বিতে এই প্রথম গোল করলাম। আর এই জয় বান্ধবীদের পাশাপাশি উৎসর্গ করছি আমার প্রিয় বন্ধু জুলেন কলিনাসকে।"

গায়ে মোহনবাগানের টি-শার্ট। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে বেরিয়ে গুটি গুটি পায়ে বান্ধবী অইয়ানা ও দেবোরার সঙ্গে এগোচ্ছিলেন গাড়ি ধরতে। সেই সময়েই রবিবারের বড় ম্যাচে গোল করে ও করিয়ে নায়ক জোসেবা বেইতিয়ার দিকে ছুটে এল প্রশ্নটা।

বাড়ি ফিরে এ বার পরিকল্পনা কী? শুনেই প্রশ্নকর্তার দিকে চকিতে ঘুরে তাকান বেইতিয়া। মুখ আলো করা হাসি নিয়ে চিৎকার করে স্পেনীয় মিডফিল্ডার বলে ওঠেন, ‘‘আজ রাতে শুধুই পার্টি হবে। এই স্মরণীয় জয়ের পার্টি। এত দর্শকের সামনে গোল করে ম্যাচ জেতার আনন্দই আলাদা। এই দিনটা স্মরণীয় করে রাখতে আজ রাতে প্রিয় জনের সঙ্গে নাচব, গাইব, খানাপিনা করব। চাইলে আপনিও চলে আসতে পারেন।’’ বলেই হো হো করে হাসতে শুরু করে দেন মোহনবাগানের ১০ নম্বর জার্সিধারী। যোগ করেন, ‘‘ম্যাচ সেরা হয়ে তৃপ্ত নই। চাই আই লিগ ট্রফিটাও।’’

সবুজ-মেরুন শিবিরে মাঝমাঠের প্রধান অস্ত্রকে ততক্ষণে ঘিরে ধরেছেন মোহনবাগান সমর্থকেরা। ২০১৮ সালের জানুয়ারির পরে ফের ডার্বিতে জয় তাঁদের। প্রায় ২৪ মাস পরে বড় ম্যাচ জয়ের আনন্দে প্রিয় নায়ক ও তাঁর বান্ধবীদের ঘিরে এ বার শুরু হল সমর্থকেদের নিজস্বী তোলার হিড়িক। যা দেখে এ বার বেইতিয়ার বান্ধবী অইয়ানাও বলে দেন, ‘‘দারুণ মজার এই দিনটা। আমাদের মতো মোহনবাগান সমর্থকদের মনেও তো উল্লাস।’’ডার্বিতে প্রথম গোল করে বেইতিয়াও উচ্ছ্বাসে ফুটছিলেন। বললেন, ‘‘ডার্বিতে এই প্রথম গোল করলাম। আর এই জয় বান্ধবীদের পাশাপাশি উৎসর্গ করছি আমার প্রিয় বন্ধু জুলেন কলিনাসকে।”

বেইতিয়ার মতোই এ দিনের জয়ী দলের অপর গোলদাতা পাপা বাবাকর জিয়োয়ারাও বলছেন, ‘‘এ রকম দর্শকঠাসা ডার্বি ম্যাচে গোল করার মজাই আলাদা। তার চেয়েও বড় ব্যাপার আমরা তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষেই থাকছি। সেটা আরও তৃপ্তির।’’ মিডফিল্ডার ফ্রান গঞ্জালেস বলছেন, ‘‘দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়ছে। এই দুর্বলতা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবেই।’’