মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 1, 2020
Home ফুটবল সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়েই আনন্দ বেইতিয়ার!

সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়েই আনন্দ বেইতিয়ার!

জোসেবা বেইতিয়াকে বলেই ফেললেন ফ্রান গঞ্জালেস, ‘‘তোমার তো দারুণ সুবিধা, একটাই কাজ। আমার মাথায় বল তুলে দিয়েই খালাস। গোল তো আমাকে করতে হয়।’’ সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যে স্বদেশীয় মিডিয়োর মন্তব্যে হেসে ফেলেন মোহনবাগান মাঝমাঠের ‘মায়েস্ত্রো’। তারপর বলেন, ‘‘আমার মতো একজন পাসার আছে বলেই তুমি সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াইতে আছ। ন’টা গোল করে ফেলেছ।’’ এর পরেই দুই স্পেনীয় একসঙ্গে হাসতে শুরু করে দেন।
বেইতিয়া-গঞ্জালেসের এই মজার প্রশ্নোত্তর পর্ব বুঝিয়ে দেয়, মোহনবাগানের আবহ। কিবু ভিকুনার দলের ড্রেসিংরুমের রসায়ন। ফ্রান গঞ্জালেস ন‘গোল করে দিপান্দা ডিকার সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লড়াইতে রয়েছেন। পাপা বাবাকর দিয়োহারা সাত গোল করে ফেলেছেন শেষ ছয় ম্যাচে। দুই গোলদাতার পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পিছনের কারিগর বেইতিয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাস বাড়িয়েছেন তিনি। প্রয়াত অমল দত্তের ডায়মন্ড ফর্মেশনে সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায় যে কাজটা করতেন, কিবুর দলে সেই কাজটাই করছেন বেইতিয়া। তাঁর এক একটি পাস, কর্নার বা ফ্রি কিক প্রতিপক্ষের যাবতীয় প্রতিরোধ ভেঙে দেওয়ার অস্ত্র হয়ে উঠছে। তা সত্ত্বেও নিজেকে আলাদা করে দেখতে রাজি নন বাগানের নতুন ‘বস’ স্পেনীয় মিডিয়ো। বললেন, ‘‘ওটা তো আমার কাজ। দলকে জেতানোর জন্য এই কাজটা করে যাব আমি।’’ তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি। আর একবার কার্ড দেখলেই একটি ম্যাচ বাইরে থাকতে হবে বেইতিয়াকে। তাতে তো দলের সমস্যা। প্রশ্ন শুনে বেইতিয়া বললেন, ‘‘বাকি যারা খেলবে, তারা ম্যাচ জিতিয়ে দেবে। সমস্যা হবে না।’’ তাঁর সেরা ম্যাচ কোনটা? সবুজ-মেরুনকে লিগ জেতার স্বপ্ন দেখানো বেইতিয়া থমকে যান। তারপর বলেন, ‘‘মনে হয় নেরোকা। তবে ডার্বিতে তো গোল করেছিলাম। ওটাকেই বা পিছিয়ে রাখব কী করে?”