শুক্রবার, নভেম্বর 27, 2020
Home ফুটবল প্রয়াত ধনরাজনের স্ত্রীর চাকরির চেষ্টা করছেন বিজয়ন

প্রয়াত ধনরাজনের স্ত্রীর চাকরির চেষ্টা করছেন বিজয়ন

জাতীয় লিগ বিজয়ী মোহনবাগানের কোচ থাকাকালীন চাতুনির রক্ষণে অন্যতম ভরসা ছিলেন তার এই সদ্যপ্রয়াত ছাত্র।

ধনরাজন মারা গিয়েছেন এক সপ্তাহ আগে। এখনও বিশ্বস হচ্ছে না আইএম বিজয়নের যে তার চেয়ে ১১ বছরের ছোট ধনরাজন আর নেই! কেরলের বিভিন্ন জেলায় সেভেন-এ-সাইড টুর্নামেন্ট খেলেন বিজয়ন। এখনও, ৫০ পেরিয়ে গেলেও কিংবদন্তি ফুটবলারের উদ্যম এখনও আগের মতোই! মারা যাওয়ার মাত্র এক সপ্তাহ আগেই ধনরাজনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল বিজয়নের। তাতে বিজয়নের কষ্ট যেন আরও বেড়ে গিয়েছে।

নিজে উদ্যোগ নিয়েছেন ধনরাজনের স্ত্রী-র একটা চাকরির জন্য। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ই পি জয়রাজনকে অনুরোধ করেছেন ধনরাজনের স্ত্রীর একটা সরকারি চাকরির জন্য। সূত্রের খবর, কেরলের ক্রীড়ামন্ত্রকে ধনরাজনের স্ত্রীকে চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। ফুটবলার ধনরাজন সম্পর্কে বিজয়নের মন্তব্য, “ভীষণ শৃঙ্খলাপরায়ণ ফুটবলার ছিল। যে কারণে যে কোনও কোচের কাছেই প্রিয় ছিল ধনরাজন।” ধনরাজনের স্ত্রীর জন্য চাকরির পাশাপাশি বিজয়নের আরও উদ্যোগ, ধনরাজনের পরিবারকে এককালীন টাকা তুলে দেওয়ার জন্য প্রদর্শনী ম্যাচেরও আয়োজন করা। পালাক্কড়ে সেই প্রদর্শনী ম্যাচ হতে পারে। বিজয়নের ইচ্ছে, ভারতীয় ফুটবলে তার সমকালীন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় ফুটবলারদের ডাকা ম্যাচটা খেলার জন্য। ভাইচুং ভূটিয়াও বিজয়নের তালিকায় রয়েছেন।

বিজয়নের মতো, প্রচণ্ড কষ্ট পেয়েছেন টি কে চাতুনিও। বর্ষীয়ান এই কোচ অনেকধরেই অসুস্থ। মঙ্গলবার তার লেখা বই ‘ফুটবল ইস মাই সোল” প্রকাশিত হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজয়নও। বিজয়নের মতো ধনরাজনেও যে তারই ছাত্র! চাতুনিও বিশ্বাস করতে পারছেন না যে কীভাবে খেলতে খেলতে ধনরাজন হৃদরোগে আক্রান্ত হল। জাতীয় লিগ বিজয়ী মোহনবাগানের কোচ থাকাকালীন চাতুনির রক্ষণে অন্যতম ভরসা ছিলেন তার এই সদ্যপ্রয়াত ছাত্র। চাতুনির স্মৃতিচারণ, “পরিশ্রমী ছিল। বাধ্য ছাত্রের মতো সমস্ত নির্দেশ মেনে চলত। যে কারণে, ধনরাজনের পারফরম্যান্সে চোখে পড়ার মতো একটা ধারাবাহিকতা ছিল।”

এখন কেরল ফুটবল তাকিয়েআছে ধনরাজনের স্ত্রীর একটা চাকরি পাওয়ার দিকে।