রবিবার, ডিসেম্বর 6, 2020
Home টেবিল টেনিস দ্বিতীয়বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সুতীর্থা, কৃতিত্ব দিচ্ছেন কোচ সৌম্যদীপ, পৌলমীকে

দ্বিতীয়বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সুতীর্থা, কৃতিত্ব দিচ্ছেন কোচ সৌম্যদীপ, পৌলমীকে

রবিবার হাযদরাবাদের সুরুনগরে সিনিযর জাতীয় টেবিল টেনিসে চ্যাম্পিয়ন হলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া তার।

দুবছর আগে মণিকা বাতরাকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন নৈহাটির ২৩ বছর বয়সের সুতীর্থা। তবে তার প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়া ছিল বাংলার হয়ে। আর এবার তিনি চ্যাম্পিয়ন হলেন হরিয়ানার হয়ে। ফাইনালে তার ৪-০ ফলে জয় বাংলার কৃত্ত্বিকা সিংহরায়ের বিরুদ্ধে। সুতীর্থা, কৃত্ত্বিকা, দুজনেই প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সৌম্যদীপ রায় আর তার স্ত্রী পৌলমী ঘটকের ছাত্রী। তাই রবিবারের ফাইনালে সবচেয়ে আশ্চর্যের দৃশ্য, দুই ফাইনালিস্টের কোচের চেয়ার ছিল ফাঁকা!

হায়দরাবাদ থেকে ফোনে রবিবার রাতে সুতীর্থার প্রতিক্রিয়া, “প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দটা বেশি। কারণ, সেবার অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে জিতেছিলাম। আর বাংলার হয়ে ট্রফি হাতে নেওয়া অনেক আনন্দের।” সুতীর্থা এ-ও জানাতে ভুললেন না যে, রবিবার ফাইনালে নামার আগে থেকেই তার আত্মবিশ্বাস ছিল জেতার ব্যাপারে। তার একটা কারণ সুতীর্থার মনে হয়েছে সৌম্যদীপ আর পৌলমীর কাছে ট্রেনিং করা। বললেনও, “দুজনেই কোচ হিসাবে দারুণ। বিশেষত, দুজনের টেকনিক্যাল জ্ঞান এত বেশি যে ওদের কাছে এক সপ্তাহ ট্রেনিং করার পর যে কারও খেলা আমূল বদলে যায়।”

সিঙ্গলসে সোনার সঙ্গে ডাবলসেও সোনা পেয়েছেন সুতীর্থা। আর মিক্সড ডাবলসে পেয়েছেন রুপো। সুতীর্থার চোখ এখন দেশের আর পাঁচজন ক্রীড়াবিদের মতো টোকিও অলিম্পিক্স। ৬ থেকে ১২ এপ্রিল ব্যাঙ্ককে অলিম্পিক্সে যোগ্যতাঅর্জন পর্ব। ভারত থেকে মণিকা বাতরার অংশগ্রহণ অনেকটাই নিশ্চিত। কারণ বিশ্ব ক্রমতালিকায় তার ৫১ নম্বরে থাকা। দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসাবে দলে ঢোকার লড়াই সুতীর্থার সামনে। সুতীর্থার মন্তব্য, “শুধু যোগ্যতাঅর্জন নয়, অলিম্পিক্সে একটা নজরকাড়া পারফরম্যান্স করতে পারা।” সেটা সম্ভব? সুতীর্থার প্রত্যয়ী মন্তব্য, “সম্ভব। সৌম্যদীপদা আর পৌলমীদি পেছনে থাকলে অবশ্যই সম্ভব।” যোগ্যতাঅর্জনের প্রস্তুতিতে পৌলমী জাতীয় দলের সতীর্থদের সঙ্গে যাচ্ছেন পর্তুগাল আর হাঙ্গেরি।