মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 22, 2020
Home সাম্প্রতিক আতঙ্কের ছবি: দশ বছরে মহিলা ক্রীড়াবিদরাই শ্লীলতাহানির শিকার সাই সেন্টারগুলোতে

আতঙ্কের ছবি: দশ বছরে মহিলা ক্রীড়াবিদরাই শ্লীলতাহানির শিকার সাই সেন্টারগুলোতে

পরিসংখ্যান বলছে এই অভিযোগের বেশিরভাগই কোচের বিরুদ্ধে৷ ছবিটা কোনও ব্যক্তিগত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ শিবিরের নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সেন্টারগুলির৷

গত এক দশকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জমা পড়েছে ৪৫টি৷ পরিসংখ্যান বলছে এই অভিযোগের বেশিরভাগই কোচের বিরুদ্ধে৷ ছবিটা কোনও ব্যক্তিগত ক্রীড়া প্রশিক্ষণ শিবিরের নয়, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার সেন্টারগুলির৷ একটি সর্বভারতীয় ইংরিজী দৈনিক সংবাদপত্রের করা পর্যবেক্ষণ এবং তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেষ ১০ বছরে সাই সেন্টারগুলিতে মোট ৪৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যৌন হেনস্থার৷ এর মধ্যে ২৯টি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচ বা প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধেই৷ সরাসরি হিসাবে যদি এটা হয়, তবে বলার অপেক্ষা রাখে না যে বেসরকারি হিসেবে অভিযোগের সংখ্যা আরও অনেক বেশি এবং লজ্জায়-ভয়ে অভিযোগ জমা পড়েনি বা অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়েছে আরও অনেক ক্ষেত্রে৷ ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দেশের ২৪টি সাই সেন্টারে জমা পড়েছে এই বড় সংখ্যায় যৌন্য হেনস্থার অভিযোগ৷ লালসার শিকার হওয়া মহিলা অ্যাথলিটদের বেশিরভাগই যেহেতু দারিদ্রপীড়িত পরিবারের, তাই অনেক ক্ষেত্রেই কেরিয়ার শেষ হয়ে যাওয়ার ভয়ে অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়েছে বা বয়ান বদল করা হয়েছে৷শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দোষি প্রমাণিত প্রশিক্ষককে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে৷ উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অনেক ক্ষেত্রে তদন্ত যখন শেষ হয়েছে, ততদিনে অভিযুক্ত চাকরি থেকে অবসর নিয়েছে৷ সেক্ষেত্রে তাদের পনশনের টাকা কেটে নেওয়া ছাড়া আর কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি সাইয়ের তরফে৷হিসাব বলছে অভিযুক্ত ৫ জন কোচের পারিশ্রমিক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে শাস্তি হিসেবে৷ ২ জন কোচের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করা হয়েছে৷ ১ জন কোচকে নির্বাসিত করা হয়েছে৷ ৫ জন কোচকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং একজন গত বছর আত্মহত্যা করেছেন৷