মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 22, 2020
Home ফুটবল কোয়েস কর্তা: লাল-হলুদের সঙ্গে কোম্পানি থাকছে মে মাস পর্যন্ত

কোয়েস কর্তা: লাল-হলুদের সঙ্গে কোম্পানি থাকছে মে মাস পর্যন্ত

ক্লাবের অনেকে এখন মনে করছেন, সঞ্জিতবাবু চাইলে ক্লাব এবং কোচের মধ্যে দূরত্ব কমাতে পারতেন। কোচ যখন একের পর এক ভুল বিদেশি নিয়ে দল সাজাতে চাইছেন, তখন তিনি চুপ থেকেছেন।

ঝুঁকি নিলেন না কোয়েস ইস্টবেঙ্গল সিইও সঞ্জিত সেন। বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন, মে মাসের পর ‘কোয়েস ইস্টবেঙ্গল এফসি’ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যদিও তিনি নিজেকে প্রাক্তন সিইও দাবি করে বললেন, “অক্টোবরে আমি সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। ম্যানেজমেন্টের অনুরোধে মে পর্যন্ত কাজ করছি।” সব মিলিয়ে গোকুলাম ম্যাচে হারের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ইস্টবেঙ্গলে ডামাডোল আরও বাড়ল।কিছুদিন আগে যে আলেজান্দ্রো স্যর মাথায় মাথায় ঘুরছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকদের, টানা ব্যর্থতায় তিনি এখন মাথা থেকে সোজা মাটিতে। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, কোচের ব্যর্থতায় সমর্থকদের ক্ষোভের শিকার হতে হয়েছে খোদ কোয়েস ইস্টবেঙ্গল এফসির সিইও সঞ্জিত সেনকে। লক্ষ্মীবারে কোয়েস কর্তাদের মুখেও ঘুরছিল এক কথা, “কোনটা কম দেওয়া হয়েছে আলেজান্দ্রোকে? ফুটবলার, কোচিং স্টাফ নিজের হাতে বেছে নিয়েছেন। উন্নতমানের প্র‌্যাকটিসের জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমর্থকদের রোষের শিকার সঞ্জিত সেন।”তিনি বলেছেন, অক্টোবরে তিনি সিইওর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সঞ্জিত সেনের যুক্তিতে সমর্থকরা কেউ সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। প্রত্যেকের বক্তব্য, তিনি যে দায়িত্বে নেই, এ কথা তাহলে এতদিন বলেননি কেন? এতদিন সব ব্যাপারে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাহলে যে মুহূর্তে ব্যর্থতা আসতে শুরু করেছে, সবকিছু কোচের ঘাড়ে চাপিয়ে পালাতে চাইছেন কেন। নিজেকে আড়াল করতেই বা চাইছেন কেন। অথচ ইস্টবেঙ্গলে সবাই জানে, ক্লাব আর কোয়েসের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি শুরু তাঁর হাত দিয়েই ঘটেছে। আলেজান্দ্রো এ বিষয়ে কিছু জানতেন না। অথচ কিছুদিনের মধ্যে চূড়ান্তভাবে ক্লাব বিরোধী হয়ে পড়েন। যা নিয়ে ক্লাবের অনেকে এখন মনে করছেন, সঞ্জিতবাবু চাইলে ক্লাব এবং কোচের মধ্যে দূরত্ব কমাতে পারতেন। কোচ যখন একের পর এক ভুল বিদেশি নিয়ে দল সাজাতে চাইছেন, তখন তিনি চুপ থেকেছেন।