রবিবার, নভেম্বর 29, 2020
Home আটলেটিক্স দেশের প্রথম অলিম্পিক পদকজয়ীর কপালে জোটেনি একটা পদ্মশ্রী। ক্ষুব্ধ পুত্র

দেশের প্রথম অলিম্পিক পদকজয়ীর কপালে জোটেনি একটা পদ্মশ্রী। ক্ষুব্ধ পুত্র

দ্য ব্রিজ ডেস্কঃ ভারতের ইতিহাসে কুস্তির জনক বলা হয় খাশাবা যাদবকে। এবার তার পুত্র রঞ্জিত যাদব দেশের সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন। তার দাবি পিতা খাশাবা যাদবকে, দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ প্রদান করুক এদেশের সরকার। প্রয়াত খাশাবাই হলেন সেই ব্যক্তি যিনি ১৯৫২ সালে প্রথম ভারতবর্ষকে হেলসিংকি অলিম্পিকে পদক জেতান‌। রঞ্জিত বলছেন আজ পর্যন্ত তার পিতা ন্যূনতম পদ্মশ্রী পুরস্কারও পাননি, অন্যদিকে টিভিতে প্রযোজনা করে একতা কপুরের মত লোকেরাও এই পুরস্কার পেয়ে গেছেন।

খাশাবা যাদব। ছবি সৌজন্যেঃ দ্য প্রিন্ট

খাশাবার মৃত্যু হয় ১৯৮৪ সালে। এরপর ২০০১ সালে তাকে অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়। একথাই পিটিআইকে রঞ্জিত পশ্চিম মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলার গোকুলেশ্বর গ্রামে বসে বলছিলেন।” শেষ ১৯ বছর ধরে আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে আমার বাবাকে ভারতরত্ন প্রদান করা হয়, যদি তাও না হয় অন্ততপক্ষে একটা পদ্ম পুরস্কার। আমার বাবার মৃত্যু হয় ১৯৮৪ সালে এবং তার ১৭ বছর পরে তাঁকে শুধুমাত্র অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়,” বলেন রঞ্জিত।

“আমার বাবা ১৯৫২ সালে অলিম্পিক মেডেল জেতেন। যদি আপনি ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা দেখেন, কবে দেখবেন প্রচুর ক্রীড়াবিদ পদ্মশ্রী পেয়েছেন, কিছু পদ্মভূষণ পেয়েছেন, আর কিছু ক্রীড়াবিদ পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণ তিনটি পুরস্কারই পেয়েছেন। যদিও অবাক করার মতো ঘটনা হলো হকির জাদুকর মেজর ধ্যানচাঁদ এবং কিছু হকি খেলোয়াড় ছাড়া কোন অলিম্পিয়ান এই লিস্টে নেই,” দাবি করেন রঞ্জিত।

তিনি আরো বলেন,”১৯১২ অলিম্পিকের পরে ভারতকে দীর্ঘ ৪৪ বছর অপেক্ষা করতে হয় একক ভাবে আরো একটি পদক পাওয়ার জন্য, যা প্রমাণ করে আমার বাবা কত বড় মাপের অ্যাথলিট ছিলেন।”

“আপনারা জানেন একতা কপুরকে এবছর পদ্মশ্রী দেওয়া হয়। আমার একটাই প্রশ্ন, তাকে কোন অর্থে এই পুরস্কার দেওয়া হল?”

রঞ্জিত অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন সময়, এমপিরা তার বাবাকে ভারতরত্ন দেওয়ার জন্য লোকসভায় দাবি জানান, কিন্তু সরকার সে বিষয়ে কর্ণপাত করেনি।

রঞ্জিতের দাবি, মহারাষ্ট্রের জনপ্রতিনিধিদের উচিত ভারত সরকারকে চাপ দেওয়া এবং দেখা তার বাবা যেন দেশের তরফ থেকে তার প্রাপ্য সম্মান পান।