রবিবার, সেপ্টেম্বর 20, 2020
Home ফুটবল সমর্থকদের রক্তচাপ বাড়িয়ে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে কোনওরকমে ৩-২ গোলে জয় পেল মোহনবাগান

সমর্থকদের রক্তচাপ বাড়িয়ে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে কোনওরকমে ৩-২ গোলে জয় পেল মোহনবাগান

চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে উপভোগ্য ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতে নেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এর ফলে লিগ শীর্ষে নিজেদের জায়গা আরো পাকা করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

প্রথম এক ঘণ্টায় মোহনবাগানের ফুটবল দেখে মনে হয়েছিল চেন্নাই সিটি এফসির বিরুদ্ধে সহজেই ৩ পয়েন্ট নিয়ে শহরে ফিরবে মোহনবাগান। তবে শেষ ৩০ মিনিটে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করল আকবর নওয়াজের দল। যদিও চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে উপভোগ্য ম্যাচটি ৩-২ গোলে জিতে নেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এর ফলে লিগ শীর্ষে নিজেদের জায়গা আরো পাকা করল সবুজ মেরুন ব্রিগেড।

এদিন শুরু থেকেই পাপা বাবাকার দিওয়ারর পাশে তুরসনভকে খেলিয়েছিলেন কোচ কিবু ভিকানা। এদিন চোটের জন্য ড্যানিয়েল সাইরাস না থাকায় ডিফেন্সে ফ্রান মোরান্তের পাশে ফ্রান গঞ্জালেজকে খেলানো হয়। ২৮ মিনিটের মাথায় বেইতিয়ার কর্নার থেকে হেডে গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন বাবা। পরপর তিন ম্যাচে গোল করলেন তিনি। পরের মিনিটেই ফের কর্নার পায় বাগান। ফের বেইতিয়ার বাঁক খাওয়ানো ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন ফ্রান গঞ্জালেজ। ২-০ গোলে এগিয়ে যায় বাগান। গোল খেয়ে শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে চেন্নাই। ৪২ মিনিটের মাথায় মিরান্দার ফ্রিকিক বারে লেগে ফেরে। সহজ সুযোগ নষ্ট করেন শ্রীরাম। গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে মারেন কাটসুমি ইউসা। বিরতিতে ২-০ এগিয়েই ড্রেসিং রুমে যায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফের ব্যবধান বাড়ায় মোহনবাগান। ৪৮ মিনিটের মাথায় বল পেয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে বাবার জন্য বল সাজিয়ে দেন নওদম্বা নওরেম। ডান পায়ের প্লেসিংয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন বাবা। তারপরেই বদলে গেল ছবিটা। হঠাৎ করে গা ছাড়া মনোভাব দেখা গেল বাগান ফুটবলারদের মধ্যে। তার খেসারত দিতে হল। ৬৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে গোল করে চেন্নাইকে খেলায় ফেরান পরিবর্ত হিসেবে নামা বিজয়। তার তিন মিনিট পরেই প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে শঙ্করকে দাঁড় করিয়ে জাল নাড়িয়ে দেন বালা কৃষ্ণণ। চাপে পড়ে যায় বাগান ব্রিগেড। কিন্তু তারমধ্যেই ব্যবধান বাড়াতে পারত তারা। বক্সের মধ্যে গোলকিপারকে একা পেয়েও বলে পা লাগাতেই পারলেন না সুহের। বেইতিয়ার ফ্রিকিক দুরন্ত বাঁচান সান্তানা। তারপরেও একাধিক সুযোগ পায় দু’দল। কিন্তু গোল আসেনি। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়ে কিবু ভিকুনার ছেলেরা।