মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর 22, 2020
Home ফুটবল আই লিগঃ অপ্রতিরোধ্য মোহনবাগান। কল্যাণী'তে নেরোকাকে ছয় গোল কিবু ব্রিগেডের

আই লিগঃ অপ্রতিরোধ্য মোহনবাগান। কল্যাণী’তে নেরোকাকে ছয় গোল কিবু ব্রিগেডের

দ্য ব্রিজ ডেস্কঃ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মোহনবাগান। যাকে সামনে পাচ্ছে, তাকেই রীতিমতো গুঁড়িয়ে দিয়ে ছুটছে কিবু ভিকুনার দল। যে মাঠে গতকাল, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল ১-১ গোলে ড্র করেছিল পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে, ঠিক সেই মাঠেই পরের দিন নেরোকা এফসিকে হাফ ডজন গোলের মালা পড়াল, মোহনবাগান। খেলার ফলাফল হল ৬-২। যদিও এই জয়ের পরেও কিছু খামতি ধরা পড়ল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের খেলায়। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন বাগান অধিনায়ক ধনচন্দ্র সিং, সাথে ড্যানিয়েল সাইরাস না থাকায় দু গোল হজমও করতে হল কিবু ব্রিগেডকে।

ছবিঃ আই লিগ

যদিও এটুকু বাদ দিলে, আজ পুরো ম্যাচটাই জুড়ে ছিল মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটের মাথায় দু’গোল দিয়ে ম্যাচ পকেটে পুরে নেয় মোহনবাগান। ১০ মিনিটে বেইতিয়ার মাপা কর্নারে মাথা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন ফ্রান গঞ্জালেস। এরপর ২ মিনিট যেতে না যেতেই দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান ফ্রান মোরান্তে। এক্ষেত্রেও ছিল বেইতিয়ার অবদান। তারা নেওয়া কর্নার থেকে তুরসুনভ একটি ভলি মারেন যাতে হেড করে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেয় মোরানতে। ২৩ মিনিটে ফের বেইতিয়ার ক্রসে হেডে গোল করে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন ফ্রান গঞ্জালেজ। ২৫ মিনিটেই মাথায় নিজের হ্যাটট্রিকটি সেরে ফেলতে পারতেন গঞ্জালেজ। তাঁকে বক্সের মধ্যে ফাউল করায় সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টি দেন রেফারি, যদিও গঞ্জালেজের শট আটকে দেন মার্ভিন। এরপর ১০ মিনিট কাটতে না কাটতেই মোহনবাগানের পক্ষে ফলাফল ৪-০ করেন পাপা বাবাকার দিওয়ারা। যদিও এর মাঝেই খেলায় ফেরে নেরোকা।৪০ মিনিটের মাথায় কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে শঙ্কর রায়ের বাঁ দিক দিয়ে জোরালো শটে গোল করে নেরোকার হয়ে প্রথম গোল দেন ফিলিপ আদজা।

প্রথমার্ধের একেবারে শেষ সময়ে বেইতিয়ার ক্রস একদম ফাকায় পেয়ে ডান পায়ের টোকায় নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন গঞ্জালেজ। ঠিক তাঁর পরের মিনিটেই আবার খেলায় ফেরে নেরোকা। গোল করে ব্যবধান ২-৫ করেন সুভাষ সিং। দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি গোল দেয় মোহনবাগান। নাওরেমের জায়গায় রোমারিও জেসুরাজকে নামান ভিকুনা। নেমেই প্রথম টাচে দলের ৬ নম্বর গোলটি করেছেন তিনি।

এই জয়ের ফলে ১২ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেল মোহনবাগান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা পঞ্জাব এফসির থেকে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান দাঁড়ালো ১১।