শনিবার, ফেব্রুয়ারী 27, 2021
Home ফুটবল সুভাষ ভৌমিকের বিরুদ্ধে আত্মজীবনীতে বিস্ফোরক 'মিডফিল্ড জেনারেল' মেহতাব হোসেন

সুভাষ ভৌমিকের বিরুদ্ধে আত্মজীবনীতে বিস্ফোরক ‘মিডফিল্ড জেনারেল’ মেহতাব হোসেন

ফুটবল জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের কথা লিখেছেন মেহতাব। খেলা বাঁচিয়ে রাখার জন্য টিউব লাইটের কারখানা থেকে সপ্তাহে ৩০ টাকা রোজগারের কথাও উঠে এসেছে তার বইয়ে। একইভাবে তার ফুটবল জীবনের বিতর্কিত দিকগুলোর কথা লিখতেও দ্বিধা করেননি জীবনের অধিকাংশ সময় ইস্টবেঙ্গলে খেলা এই মিডফিল্ডার।

আত্মজীবনী প্রকাশ করলেন মেহতাব হোসেন। এই সপ্তাহেই কলকাতায় শুরু হচ্ছে বইমেলা। সেখানেই প্রকাশিত হবে কলকাতার প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ফুটবলার মেহতাব হোসেনের আত্মজীবনী। বইয়ের নাম ‘মিডফিল্ড জেনারেল’।

ফুটবল জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের কথা লিখেছেন মেহতাব। খেলা বাঁচিয়ে রাখার জন্য টিউব লাইটের কারখানা থেকে সপ্তাহে ৩০ টাকা রোজগারের কথাও উঠে এসেছে তার বইয়ে। একইভাবে তার ফুটবল জীবনের বিতর্কিত দিকগুলোর কথা লিখতেও দ্বিধা করেননি জীবনের অধিকাংশ সময় ইস্টবেঙ্গলে খেলা এই মিডফিল্ডার। ফুটবল জীবনের শেষ মরশুমে লাল-হলুদ জার্সি ছেড়ে মোহনবাগানে চলে যাওয়াও যে তার কাছে কতটা কষ্টকর ছিল এবং কেন দল বদল করেছিলেন সেই প্রসঙ্গেও আত্মজীবনীতে মেহতাব খোলামেলা।

সুভাষ ভৌমিকের বিরুদ্ধে বাঙালি ফুটবলারদের পাশে না থাকার অভিযোগ আনলেন মেহতাব।

তবে আত্মজীবনীতে একাধিক বিতর্কিত বিষয়গুলোর মধ্যে একটি বহচর্চিত হয়ে যেতে পারে। সুভাষ ভৌমিকের ওপর মেহতাবের ক্ষোভ। পরিষ্কারভাবে লিখেছেন, সুভাষ ভৌমিক কখনও বাঙালি ফুটবলারদের পাশে দাঁড়াননি। এই প্রসঙ্গে মেহতাবের মুখে বরং সুব্রত ভট্টাচার্যের প্রশংসা। লিখেছেন, সুব্রত ভট্টাচার্য বাঙালি ফুটবলারদের পাশে থাকতেন। কিন্তু সুভাষ স্যারের পছন্দ ছিল অ্যালভিটো ডি কুনহা আর এম সুরেশ। বিজেন সিংকে তিনি নিজের বাড়িতেও রেখেছেন। সুভাষ ভৌমিককে মেহতাবের আত্মজীবনী নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

মেহতাবের সঙ্গে সুভাষের দূরত্ব বাড়তে থাকে ২০০৯-এ ডুরান্ড কাপের একটা ম্যাচের পর থেকে। মেহতাবের অভিযোগ, “আমি ছিলাম রিজার্ভ বেঞ্চে। উনি বলছিলেন আমার দলে কোনও ভাল মিডফিল্ডার নেই। আসলে সুভাষ স্যার ভাল ফুটবলার ছাড়া কখনও সাফল্য পাননি। যেমন আশিয়ান কাপ। ইস্টবেঙ্গলের ওই সময়ের দলটাই ছিল দুর্দান্ত। তাদের দক্ষতার জোরেই সেই সাফল্য এসেছিল। আবার সুভাষ ভৌমিকের কোচিংয়েই সেই সময় ইস্টবেঙ্গলের সবচেয়ে লজ্জাজনক হার, মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ৩-৫ গোলে।“