মঙ্গলবার, ডিসেম্বর 1, 2020
Home সাম্প্রতিক ত্রিপুরা জিমন্যাস্টিক্সে নতুন তারা প্রিয়াঙ্কা দাশগুপ্তের চার সোনা।

ত্রিপুরা জিমন্যাস্টিক্সে নতুন তারা প্রিয়াঙ্কা দাশগুপ্তের চার সোনা।

প্রথম প্রথম প্র্যাক্টিস করতে চাইত না। ক্লাবে এসেও বসে থাকত। অন্য মেয়েদের সঙ্গে দুষ্টুমি করতে বেড়াত।

প্রিয়াঙ্কা দাশগুপ্ত। ত্রিপুরার জিমন্যাস্টিক্সে নতুন তারকা। ভারতীয় জিমন্যাস্টিক্সে নতুন তারা। বাড়ি আগরতলায়। গুয়াহাটিতে খেলো ইন্ডিয়া গেমসে চারটি সোনা জিতেছেন। অল অ্যারাউন্ডে সোনা, ভল্টিং, ব্যালেন্সিং বিম এবং ফ্লোর এক্সারসাইজ-প্রত্যেক ইভেন্টে সোনা জিতে এখন নজরকাড়া নাম ১৭ বছরের এই জিমন্যাস্ট। কে তাকে আবিষ্কার করেছিলেন? সোমা নন্দী। দীপা কর্মকারের স্যর দ্রোণাচার্য বিশ্বেশ্বর নন্দীর স্ত্রী। সোমাই খুঁজে পেয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কাকে। সেই বিবেকানন্দ ব্যায়ামাগারে। ত্রিপুরার জিমন্যাস্টিক্সের আঁতুড়ঘর। যে ক্লাব থেকে সোমা নন্দীর হাতেই বেড়ে ওঠা দীপা কর্মকারের। তারপর স্যর বিশ্বেশ্বরের কাছে পৌঁছনো। প্রিয়াঙ্কার অবশ্য একটা বাড়তি সুবিধা হয়েছে। সে দীপা দিদিকে পেয়েছে। গুয়াহাটিতে খেলো ইন্ডিয়ায় অংশ নেওয়ার আগে দীপা কর্মকারের সঙ্গে দেখা করেছিল প্রিয়াঙ্কা। বলেছে, “দীপাদি আমাকে যে কোনও টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে শিখিয়েছেন কীভাবে মনঃসংযোগ ধরে রাখতে হয়। দীপাদি আরও পরামর্শ দিয়েছেন কীভাবে নিজেকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে হয়। খেলো ইন্ডিয়ায় ইভেন্ট করার পথে আমার ভীষণ কাজে লেগেছে পরামর্শগুলো।”

ছোটবেলায় প্রিয়াঙ্কা খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছিল। তাকে শান্ত রাখার জন্যঅ বিবেকানন্দ ব্যামাগারে সোমা নন্দীর কাছে জিমন্যাস্টিক্সে ভর্তি করে  দেওয়া। তখন প্রিয়াঙ্কার বয়স মাত্র চার বছর।

ছাত্রী সম্পর্কে সোমা নন্দীর বিশ্লেষণ,“শুরুতে প্রিয়াঙ্কাকে দেখে বোঝা যায়নি জিমন্যাস্টিক্স ওর কাছে পরবর্তীকালে প্যাশন হয়ে উঠবে। প্রথম প্রথম প্র্যাক্টিস করতে চাইত না। ক্লাবে এসেও বসে থাকত। অন্য মেয়েদের সঙ্গে দুষ্টুমি করতে বেড়াত। ধীরে ধীরে লক্ষ্য করলাম খেলাটাকে ভালবাসছে। আর এখন বলতে পারি প্রিয়াঙ্কার প্রতিভারও প্রকাশ ঘটছে।”