রবিবার, সেপ্টেম্বর 20, 2020
Home ফুটবল সহকারী কোচ ট্রুলসের ছোঁয়ায় ইস্টবেঙ্গলে উধাও গুমোট হাওয়া

সহকারী কোচ ট্রুলসের ছোঁয়ায় ইস্টবেঙ্গলে উধাও গুমোট হাওয়া

মঙ্গলবার অনুশীলন শেষে দলের ফুটবলার ব্রেনডনের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটলেন ফুটবলাররা। আবার খোলা হাওয়া লাল–হলুদ শিবিরে।

পরপর তিন ম্যাচ হারের পর চেন্নাইয়ে গিয়ে জয়। কোচ বদল হয়েছে তার মধ্যেই। সহকারী কোচ মার্শেল ট্রুলসের হাতেই আপাতত লাল–হলুদ শিবির। নয়া কোচ মারিও রিভেরা এখনও ভারতের ভিসা পাননি। কবে তিনি কলকাতায় আসতে পারবেন নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা আশা করছেন, ১ ফেব্রুয়ারি ইন্ডিয়ান অ্যারোজের বিরুদ্ধে ক‍ল্যাণীতে ম্যাচের আগে হয়ত চলে এলেও আসতে পারেন। কিন্তু এর মধ্যেই দলের মধ্যের ‘গুমোট’ ভাব উধাও। সৌজন্যে, সহরকারী কোচ মার্শেল ট্রুলস। তিনি কোনও ‘যাদুমন্ত্রে’ তাজা বাতাস এনে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের মধ্যে। নিজে যদিও তা স্বীকার করতে চাইছেন না ট্রুলস।

মঙ্গলবার বিকেলে যুবভারতীর প্র্যাকটিস মাঠে অনুশীলনের পর ইস্টবেঙ্গল সহকারী কোচ ট্রুলস নিজে কোনও কৃতিত্ব নিতে চাইলেন না তো বটেই, পাশাপাশি চেন্নাইয়ের জয় যে দলের গুমোট ভাব কাটিয়ে দিয়েছে, তাও মানতে চাইলেন না। তিনি বলছেন, ‘ফুটবলে শনিবার জিতলে রবিবার কোনও দল হেরেও যেতে পারে। জয়–পরাজয় থাকেই। আমি ছেলেদের একটা কথাই বলেছিলাম, নিজের বিশ্বাস থেকে সরে যেও না। আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় ব্যাপার। সেটা থাকলে আমরা অনেক কিছুই ইতিবাচক করে দেখাতে পারব। এই কথাই বলেছিলাম।’ ট্রুলস ফুটবলারদের চেন্নাই যাওয়ার আগে বলেছিলেন, ফুটবল ‘রকেট সায়েন্স’ নয়। ইস্টবেঙ্গলের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচ মারিওর সঙ্গে ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেই দল চালাচ্ছেন স্প্যানিশ ট্রুলস। অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁর কলকাতায় আসার। ‘মারিওর সঙ্গে রোজই কথা হচ্ছে দল নিয়ে। আমি বিশ্বাস করি এই ফুটবলারদের নিয়ে ভাল কিছু করা সম্ভব। ফুটবলারদের মধ্যে বিশ্বাস জোগানোই আমার কাজ। সেটা করছি।’ বললেন ট্রুলস।

মঙ্গলবার অনুশীলন শেষে দলের ফুটবলার ব্রেনডনের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটলেন ফুটবলাররা। আবার খোলা হাওয়া লাল–হলুদ শিবিরে। মঙ্গলবার অনুশীলন দেখতে যুবভারতীতে হাজির ছিলেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার। তিনি বলে গে‍লেন, ‘মারিও ভিসা হাতে পেলেই এসে যাবে। আমরা ওর সঙ্গে কথা না বলে কোনও নতুন ফুটবলার রিক্রুট করছি না। মারিও কাকে চাইছে দেখি। জানি উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা তখন ফ্রি ফুটবলারই নেব।’