শুক্রবার, নভেম্বর 27, 2020
Home ফুটবল ঐতিহ্যমণ্ডিত বালি প্রতিভা, শতবর্ষ পালন করার প্রয়োজনীয় অর্থ এখনও যোগাড় করতে পারেনি

ঐতিহ্যমণ্ডিত বালি প্রতিভা, শতবর্ষ পালন করার প্রয়োজনীয় অর্থ এখনও যোগাড় করতে পারেনি

সাতের দশকে কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে বালি প্রতিভা ছিল তিন প্রধানের কাছে ভয়ের কারণ। প্রথম পাঁচ, কখনও কখনও প্রথম তিন দলের মধ্যেও কলকাতা লিগে শেষ করত বালি প্রতিভা।

বালি প্রতিভার শতবর্ষ চলছে। তার প্রতিফলন? হাওড়া জেলার এই ছোট্ট জায়গায় জিটি রোড দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়বে রাস্তার ওপর শুধু একটা বিশাল তোরণ! সেই তোরণে ছবি লাগানো। বদ্রু ব্যানার্জি থেককে সত্যজিত চ্যাটার্জি, সুব্রত ভট্টাচার্য, সুধীর কর্মকার, নীলেশ সরকার, পরিমল দে। এরা সকলে বালি প্রতিভা ক্লাবে খেলে যাওয়া এক একজন আন্তর্জাতিক ফুটবলার! সাতের দশকে কলকাতা প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে বালি প্রতিভা ছিল তিন প্রধানের কাছে ভয়ের কারণ। প্রথম পাঁচ, কখনও কখনও প্রথম তিন দলের মধ্যেও কলকাতা লিগে শেষ করত বালি প্রতিভা।

একশো বছরে সেই বালি প্রতিভার একটা নিজস্ব ক্লাবঘরও নেই! মোহনবাগানের প্রাক্তন কর্তা বীরু চ্যাটার্জি , বর্তমানে বালি প্রতিভার সচিব। তার বাড়িতেই ক্লাবের কর্তাদের বৈঠক করার ঘর। ক্লাবের কর্তাদের দুশ্চিন্তা কীভাবে শতবর্ষ পালন করবেন তারা। ১৯২০ সালে জন্ম নেওয়া এই ক্লাবের বর্তমান কর্তারা এখনও পর্যন্ত কোনও বড় অর্থসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেননি।

ক্লাবের এক কর্তার আক্ষেপ, “গত এপ্রিল থেকে আমরা রাজ্যের বিভিন্ন ক্রীড়াসংস্থা, রাজ্যের ক্রীড়া দফতর, এমনকী, ময়দানের তিন বড় ক্লাব, ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিংয়ের কাছেও আবেদন করেছিলাম। যদি তারা কোনও উদ্যোগ নিয়ে আমাদের শতবর্ষ উদযাপনের জন্য কোনও স্পনসর যোগাড় করে দেয়। কিন্তু জানুয়ারি মাস শেষ হতে চলেছে, কারুর কাছ থেকে কোনও সাড়া পাইনি।“প্রাক্তন ফুটবলাররা অবশ্য জানাচ্ছেন, তাদের যথাসাধ্য তারা করবেন এই ক্লাবের শতবর্ষ পালনের জন্য। বদ্রু ব্যানার্জির মন্তব্য, “মাতৃসম ছিল এই ক্লাব। একটা পরিবারের মতো। এখানে খেলেছি বলেই না মোহনবাগান নিয়ে গিয়েছিল।“ সুব্রত ভট্টাচার্য বললেন, “ফুটবলার তৈরির কারখানা ছিল ওই ক্লাব। কত ফুটবলার যে ওই ক্লাব থেকে উঠেছে তার ইয়ত্তা নেই।“