রবিবার, ডিসেম্বর 6, 2020
Home ফুটবল এটিকে-মোহনবাগান, কিন্তু নাম না বদলানোর আশ্বাস কর্তাদের

এটিকে-মোহনবাগান, কিন্তু নাম না বদলানোর আশ্বাস কর্তাদের

মোহনবাগানের সচিব স্বপনসাধন বসু বলেছেন, “সবুজ-মেরুন জার্সির ১৩০ বছরের ঐতিহ্য বজার রাখতে যেমন চাই, তেমনই বাস্তবের দিকে তাকিয়ে কখনও কখনও পার্টনারেরও দরকার পড়ে। ফুটবলের নতুন যুগে প্রবেশের জন্য বড়সড় বিনিযোগ প্রয়োজন, এগিয়ে যাওয়ার জন্য চাই কর্পোরেটও। এটাই কঠোর বাস্তব।

জল্পনার অবসান। দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল সংযুক্তিকরণের ব্যাপারে। অবশেষে বৃহস্পতিবার এটিকে-র সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধল মোহনবাগান। ২০২০ সালের জুন মাস থেকে যা চালু হবে। দুই ফুটবল ক্লাবের একসঙ্গে মিশে যাওয়া ভারতীয় ফুটবলে নতুন দিগন্ত খুলে দিল।এদিন এই দুই ক্লাবের একসঙ্গে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা করা হল। যাতে জানা গেল যে মোহনাবাগান ফুটবল ক্লাবের ৮০ শতাংশ শেয়ার নিল সঞ্জীব গোয়েঙ্কার আরপিএসজি গ্রুপ। বাকি ২০ শতাংশ শেয়ার থাকল মোহনবাগান ফুটবল ক্লাব প্রাইভেট লিমিটেডের হাতে থাকল। আইএসএলে পরের মরসুমে মোহনবাগানের খেলতে আর কোনও বাধা রইল না। ‘এটিকে মোহনবাগান’ নাম হচ্ছে সংযুক্তিকরণের পর। এই নামেই আগামী দিনে নানা প্রতিযোগিতায় খেলবে ক্লাব।মোহনবাগানের সচিব স্বপনসাধন বসু বলেছেন, “সবুজ-মেরুন জার্সির ১৩০ বছরের ঐতিহ্য বজার রাখতে যেমন চাই, তেমনই বাস্তবের দিকে তাকিয়ে কখনও কখনও পার্টনারেরও দরকার পড়ে। ফুটবলের নতুন যুগে প্রবেশের জন্য বড়সড় বিনিযোগ প্রয়োজন, এগিয়ে যাওয়ার জন্য চাই কর্পোরেটও। এটাই কঠোর বাস্তব। আরপিএসজি গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাতে চাইছি। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকেও। আমাদের ফুটবল দর্শনের সঙ্গে ওদের মিল রয়েছে। যৌথ ভাবে আমরা নিশ্চিত ভাবেই ক্লাবকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে পারব। সেই দিক দিয়ে এই দিনটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”সংযুক্তিকরণ সম্পর্কে সৃঞ্জয় বোস বলছেন, “এতদিন আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠত, আমরা নিয়ন্ত্রণ ছাড়ছি না বলে ইনভেস্টর পাচ্ছি না। এবার তো আমরাই নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিচ্ছি। এতে মালিকানার কোনও ব্যপার নেই। যখন যে ইনভেস্টর এসেছে। তাঁরাই তখন সব নিয়্ন্ত্রণ করেছে। এটা নতুন কিছু নয়।” সমর্থকদের আশ্বস্ত করে দেবাশিস দত্ত বলেন, “এর আগেও একইরকম চুক্তি আমরা করেছি ম্যাকডোয়ালের সঙ্গে। এই চুক্তিতেও একইরকম শর্ত আছে। উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। তাছাড়া, সঞ্জীব গোয়েঙ্কা মোহনবাগান ক্লাবে টাকা ঢালবেন সমর্থকরা আছেন বলেই। তিনি এতটাও বোকা নন, যে সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব না দিয়ে ক্লাবের জার্সি এবং নাম বদলে দেবেন। ক্লাব, ক্লাবের মতোই থাকল। ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়ন ছাড়া, এই সংযুক্তিকরণের আর কোনও উদ্দেশ্য নেই। এশিয়ার সেরা দশ ক্লাবের মধ্যে নাম লেখানোটাই আমাদের লক্ষ্য।”