রবিবার, সেপ্টেম্বর 20, 2020
Home ব্যাডমিন্টন টোকিও অলিম্পিক্সের আগে সিন্ধুদের জাপানের সংস্কৃতি শেখাবেন সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

টোকিও অলিম্পিক্সের আগে সিন্ধুদের জাপানের সংস্কৃতি শেখাবেন সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

ঠিক মাস পাঁচেক পর অলিম্পিক। ভারতীয় টিমের বিভিন্ন অ্যাথলিটরা নিজের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু, শুধু ট্র্যাক বা কোর্টের প্রস্তুতিই নয়, জাপানের সংস্কৃতির সঙ্গে যথেষ্ট পরিচয় তো প্রয়োজন। যে কারণেই স্পোর্টস অথরিটি আফ ইন্ডিয়া (সাই) এবং ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা (আইওএ) জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন ভারতীয় অ্যাথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফদের সে দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য।

সে দেশের আদব-কায়দা শেখার জন্য। জাপানের সুকুবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রণদীপ রাকওয়াল তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে ভারতীয় অ্যাথলিটদের সে দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে অবহিত করার কাজটি করবেন। রণদীপ বলছেন, ‘ভারতীয় অ্যাথলিটরা আগেও বাইরে যেতেন। কিন্তু, জাপানে অনেকেই আসেননি। অনেক কারণে এই দেশ তাই অভিনব। সেটা জানা জরুরি।’ সঙ্গে সংযোজন, ‘সে জন্যই সে দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন। ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা আমাদের বলেছে, সে দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে অ্যথলিট এবং সাপোর্ট স্টাফদের অবহিত করতে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব এই কাজটি করতে।’

২৪ জুলাই থেকে শুরু হবে অলিম্পিক। অনেক অ্যাথলিটই তার অনেক আগে সে দেশে চলে আসবেন। তিরন্দাজরা যেমন টোকিও থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে কুরোবেতে ঘাঁটি গাড়বেন। ভারোত্তোলকরা টোকিওর নিপ্পন বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবেন। আর বক্সারদের বেস ক্যাম্প হবে হিরোসিমায়। রণদীপ বলছেন, ‘আমরা ওঁদের শেখাব, কী ভাবে ওখানকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে মেয়েদের সঙ্গে। এয়ারপোর্ট থেকে বেরোনোমাত্রই ওঁদের পরীক্ষা শুরু হয়ে যাবে। জাপানের মানুষজন এমনিতে খুবই নম্র। কিন্তু, সেই নম্র স্বভাবটাকে বুঝে তাঁদের সঙ্গে ঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। ওঁরা নরম স্বভাবের বলে সব সময় আপনার জন্য কিছু একটা করে দেবেন, তেমনটা প্রত্যাশা রাখা ভুল।”

রণদীপের জন্ম দিল্লিতে। বর্তমানে তিনি জাপানের বাসিন্দা। রণদীপ এবং তাঁর সহকর্মীরা নয়াদিল্লিতে দু’টো সেশন করতে চলেছেন। প্রথমটা ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। তার দু’দিন পর দ্বিতীয় সেশন পাটিয়ালায়। সেখানে অ্যাথলেটিক্স ভিলেজের বাইরে কী ভাবে প্রথাসম্মতভাবে সাধারণ মানুষকে অভিবাদন জানাতে হবে, কী ভাবে খাওয়ার সময় চপস্টিক ব্যবহার করতে হবে কিংবা কী ভাবে শহরে ঘুরে বেড়াতে হবে, তা শেখাবেন ওঁরা।