শুক্রবার, নভেম্বর 27, 2020
Home ব্যাডমিন্টন টোকিওর প্রস্তুতিতে সিন্ধুর অন্যতম অস্ত্র ধ্যান, দু'বছরে তৈরি হচ্ছে অ্যাকাডেমি

টোকিওর প্রস্তুতিতে সিন্ধুর অন্যতম অস্ত্র ধ্যান, দু’বছরে তৈরি হচ্ছে অ্যাকাডেমি

টোকি অলিম্পিক্সের প্রস্তুতিতে পিভি সিন্ধুর অন্যতম অস্ত্র মেডিটেশন (ধ্যান)।অলিম্পিক্স শুরু হতে বাকি আর পাঁচ মাস। এখনও মেগা ইভেন্টে নামার টিকিট নিশ্চিত হয়নি। কিন্তু সিন্ধুর মনে কোনও যোগ্যতা অর্জন দ্বিধা নেই। সম্প্রতি চেন্নাইয়ে নিজের অ্যাকাডেমির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সিন্ধু। সেই অনুষ্ঠানে অলিম্পিক্স সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে সিন্ধুর মন্তব্য, “খারাপ খেলছি না। সামান্য ভুলের জন্য ম্যাচ হেরে যাচ্ছি। এই ছোট ভুলগুলোকে শোধরার প্রস্তুতিই এখন চলছে।” সিন্ধুর সংযোজন, “নিয়মিত প্র্যাক্টিসের বাইরে মেডিটেশন (ধ্যান) আমি করি। মেডিটেশন করলে ম্যাচের মধ্যে শান্ত থাকা যায়। ভুল শট খেলার পরেও ধৈর্য রাখতে হলে মেডিটেশন যে কতটা উপকারী সেটা বুঝতে পারছি প্র্যাক্টিস ম্যাচ খেলেই।”
একইসঙ্গে রিও অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জজয়ী সিন্ধু জানালেন তার স্বাভাবিক আক্রমণাত্মক খেলার স্টাইলের সঙ্গে তিনি রক্ষণের ওপরও এখন জোর দিচ্ছেন।
ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমি প্রসঙ্গে সিন্ধু জানালেন তার অ্যাকাডেমি হবে অত্যাধুনিক। এক হাজার দর্শক বসে খেলা দেখার মতো গ্যালারি থাকবে। ১২টি কোর্ট তৈরি করা হবে। সিন্ধুর ধারণা আগামী দু’বছরের মধ্যে অ্যাকাডেমির কাজ শেষ হয়ে যাবে। গত ১১ মাস ধরে দেশের এক নম্বর শাটলার মেডিটেশন টেকনিকে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তাঁকে এ ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছেন কমলেশ প্যাটেল। দাদাজি নামে বিখ্যাত দক্ষিণ ভারতের এই ব্যাক্তি। সিন্ধুর সাপোর্ট-স্টাফদের মধ্যে দাদাজি অন্যতম। তাঁর মেডিটেশন টেকনিক দেশে খুব চালু। সিন্ধুর অ্যাকাডেমির অন্যতম কর্ণধারও তিনি হবেন।
সিন্ধুর কথায়, “রিও অলিম্পিক্সের পরে চার বছর পার হয়ে গিয়েছে। বিশ্বের ব্যাডমিন্টন ধারাটাই এই চারবছরে বদলে গিয়েছে। বদলেছি আমিও। এখন বিশ্বে এক থেকে ১২ নম্বরের মধ্যে পার্থক্যটা শুধু সংখ্যার। খেলার কোনও পার্থক্য নেই। সামান্য উনিশ-বিশ। ফলে রিও-র তুলনায় লড়াইটা টোকিওতে আরও কঠিন।”